সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা সংস্কারের দাবিতে গতকাল বুধবার সকাল-সন্ধ্যা সর্বাত্মক ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকা। কোটা ব্যবস্থা বাতিল করে ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে রাস্তায় নেমেছে শিক্ষার্থীরা। বাংলা ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মহাখালীর আমতলীতে রেললাইন অবরোধ করায় ঢাকার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের চলমান এই আন্দোলনের কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় সাধারণ মানুষকে। কোটা নিয়ে হাইকোর্টের রায়ে স্থিতাবস্থার প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা বলেছে, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবেই।
সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের পরিপত্র ‘অবৈধ’ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর একমাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে কোটা বাতিল করে ২০১৮ সালে জারি করা পরিপত্রটি বহাল থাকছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। গতকাল বুধবার দুপুরে প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষের প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন জানান, আপিল বিভাগ স্থিতাবস্থা বজায় রাখার আদেশ দিয়েছেন। ফলে যা ছিল তা-ই থাকবে। অর্থাৎ কোটা বাতিল নিয়ে ২০১৮ সালের পরিপত্র বহাল থাকছে।
কোটা নিয়ে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থার আদেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। তিনি বলেন, প্রতিবাদকারীরা চাইলে আদালতে তাদের বক্তব্য উপস্থাপন করতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নিতে ভিসিদেরও উদ্যোগ নেয়ার আহ্বান জানান তিনি। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী মানুষের দুর্ভোগ হয় এমন কর্মসূচি পরিহার করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ফিরে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছে আওয়ামী লীগ। গতকাল বুধবার দুপুরে আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এ অনুরোধ জানান। আগামী আগস্টের প্রথম সপ্তাহে আদালতে চূড়ান্ত শুনানির মাধ্যমে নিষ্পত্তি হবে কোটা সংস্কার। এ পর্যন্ত মানুষের দুর্ভোগ সৃষ্টি হতে পারে এমন কর্মসূচি বন্ধ করে আদালতের নির্দেশ মেনে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
কোটাবিরোধী দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মিছিল শাহবাগ মোড়ে আসার পর পুলিশের অনুরোধে ওই এলাকা ছেড়েছে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টার কিছু আগে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা শাহবাগে মোড়ে এসে অবরোধ করলে পুলিশের অনুরোধে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থানকারীরা চলে যান। শিক্ষার্থীদের মিছিল আসার সময় জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান করছিলেন মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডসহ কয়েকটি সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় উভয়পক্ষকেই উত্তপ্ত স্লোগান দিতে দেখা যায়। এর আগে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে টিএসসি ঘুরে আসেন সংগঠনগুলোর নেতাকর্মীরা।
মুক্তিযোদ্ধা কোটা ইস্যুতে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর আপিল বিভাগের এক মাসের স্থিতাবস্থার মধ্যে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা কলেজ ও ইডেন কলেজের শিক্ষার্থীরা। গতকাল বুধবার দুপুরে সায়েন্সল্যাব মোড় অবরোধ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এ ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা কলেজ শাখার সমন্বয়ক নাজমুল হাসান। তিনি বলেন, আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। কোটা নিয়ে বারবার টালবাহানা দেখতে চাই না। সব গ্রেডে অযৌক্তিক এবং বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লিখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটা ন্যূনতম মাত্রায় এনে সংসদে আইন পাস করতে হবে। আমরা পড়ার টেবিলে ফিরে যেতে চাই। দাবি মেনে নেয়া না পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণায় কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানীর অধিকাংশ এলাকা। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় যাতায়াত ব্যবস্থা। বাস অন্যান্য যানবাহন রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোয় আটকা পড়ে। নগরজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র যানজট। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের উদ্দেশে রওয়ানা দেয় শত শত মানুষ।
বাংলা ব্লকেড কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজার ও মহাখালীর আমতলীতে রেললাইন অবরোধ করে রাখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এতে ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ঢাকা থেকে কোনো ট্রেন ঢাকার বাইরে যেতে পারেনি। একইভাবে বাইরের কোনো ট্রেনও ঢাকায় প্রবেশ করতে পারেনি। একই সঙ্গে রিকশা, ভ্যান, মোটরসাইকেলসহ সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ করে দেয় আন্দোলনকারীরা। গতকাল সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিলে ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ চালু হয়েছে। এখন আর কোনো সমস্যা নেই। নির্বিঘ্নে ট্রেন চলাচল করতে পারছে। গতকাল বুধবার বেলা ১১টার পর থেকে সর্বাত্মক ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে শাহবাগ মোড়ে আসতে থাকেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর পৌনে ১২টায় শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন তারা। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এর আগে সকাল ১০টায় তারা জড়ো হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হল ও বিভাগ থেকে মিছিল নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে জড়ো হতে থাকেন। সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে হলপাড়া-মুহসীন হল-ভিসি চত্বর-টিএসসি হয়ে শাহবাগে যান তারা। এরপর শাহবাগ মোড় অবস্থান নেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ওই এলাকায় আটকা পড়ে অনেক যানবাহন। যাত্রীদের গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে যেতে দেখা যায়।
গুলিস্তান জিরোপয়েন্ট মোড় ও পল্টন মোড় অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। গুলিস্তানের নুর হোসেন চত্বর দিয়ে সব ধরনের যানবাহন চলাচল বন্ধ। শিক্ষার্থীরা সকাল ১০টার পর থেকে অবরুদ্ধ করে রেখেছেন এই মোড়। গুলিস্তান মোড়ে শিক্ষার্থীরা চারপাশে বৃত্তাকার হয়ে বসে পড়েছেন। শিক্ষার্থীরা দখলে নিয়েছেন পল্টন মোড়ও। রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, শ্যামপুর, জুরাইন, পুরান ঢাকার লোকজন ঢাকার অন্য অংশের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এই জিরোপয়েন্ট মোড় ব্যবহার করেন। কিন্তু চলাচল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দিক থেকে আসা গাড়িগুলোকে জিরোপয়েন্টের আশপাশের সড়কে থেমে থাকতে দেখা যায়। আগারগাঁও মোড়ের চারটি রাস্তা বন্ধ করে দেয় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এতে মিরপুর থেকে গাড়ি আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। শ্যামলী বা বিজয় সরণির দিকেও যেতে পারেনি কোনো গাড়ি। যে গাড়ি যেদিক থেকে এসেছে, সেদিকে ফিরিয়ে দেয়া হয়েছে। এ সময় মিরপুর ও গাবতলীর পথে চলাচলের সড়কটি দিয়েও যান চলাচল ব্যাহত হয়। জরুরি প্রয়োজনে হেঁটে ও গলিপথ ধরে রিকশায় যাতায়াত করছেন পথচারীরা। আন্দোলনের কারণে রাজধানীর মহাখালী থেকে বনানী পর্যন্ত রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। যানবাহন না চলার কারণে অনেকে হেঁটে গন্তব্যে গেছেন। অনেকে যানজটে দীর্ঘ সময় গাড়িতে বসে থাকেন আশেপাশের রাস্তায়। ক্ষোভ প্রকাশ করছেন তারা। এনামুল হক নামের একজন বলেন, কাজের সময় এভাবে একটানা এক জায়গায় বসে আছি। বড় ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। সকাল ১০টা থেকে এখনো যানজটে আটকে রয়েছি। এখনো জানি না কখন রাস্তা ছাড়বে। এ রকম আর কত দিন চলবে? তবে সবচেয়ে বড় ভোগান্তিতে পড়েন পিজি ও বারডেম হাসপাতালে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা। রোজিনা বানু নামের একজন যাত্রী বলেন, আমি নিউমার্কেটে যাবো। কিন্তু কোনো গাড়িই পাচ্ছি না। আমি অসুস্থ। তারপরও মনে হয় হেঁটেই যেতে হবে। সুমন বড়ুয়া নামের অন্য একজন বলেন, আমি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাংলামোটরে আটকে যাই। তখন থেকে দেড় ঘণ্টা সেখানে বসে ছিলাম। কিন্তু গাড়ি চলছে না দেখে হেঁটে হেঁটে শাহবাগ আসলাম। ভেবেছিলাম এখানে গাড়ি পাবো। কিন্তু শুনলাম গুলিস্তানেও অবরোধ চলছে। আমাকে যেতে হবে সদরঘাটে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলন যৌক্তিক, কিন্তু মানুষের ভোগান্তিও মুখ্য বিষয়।
এদিকে একই সময় রামপুরা থেকে শান্তিনগর, কাকরাইল পর্যন্ত রাস্তায় যানজট ছিল না। রাস্তার পরিস্থিতি স্বাভাবিক দেখা গেছে। প্রতিদিনের মতো আবুল হোটেলের মোড় ও মেরুল বাড্ডা এলাকায় যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। এ রাস্তায় শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চোখে পড়েনি। জরুরি কাজ ছাড়া গতকাল সকাল থেকে রাজধানীতে সড়কে বের হননি অনেকেই। এ কারণে বেশিরভাগ সড়ক ছিলো অনেকটা ফাঁকা। কোথাও কোনো সিগন্যাল ছাড়া পার হতে পারছে যানবাহন। সড়কে বাসসহ অন্যান্য যানবাহনের সংখ্যাও কম চলাচল করতে দেখা গেছে। ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচিতে সতর্ক ছিলো আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পূর্বনির্ধারিত স্থানে এবং প্রত্যেক মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো। সড়কে ব্যারিকেড প্রস্তুত রেখেছিলো পুলিশ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত ছিলো পুলিশ সদস্যরা।
এ বিষয়ে ডিএমপির উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বলেন, গতকাল সকাল থেকে সতর্ক ছিলো পুলিশ। মানুষ ও যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন ছিলো। কেউ যাতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি করতে না পারে সেজন্য যথেষ্ট প্রস্তুতি নেয়া ছিলো। অপরদিকে সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেয়া রায়ের ওপর চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আপিল বিভাগ। আপিল বিভাগের এমন আদেশকে ‘আন্দোলন দমানোর কৌশল’ হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবি, আন্দোলন দমানোর চেষ্টা না করে একটি কমিশন গঠন করে কোটা নিয়ে স্থায়ী সমাধান করুন। এছাড়া ছাত্রসমাজ রাজপথ ছাড়বে না। গতকাল বুধবার দুপুরে শাহবাগ মোড়ের অবস্থান কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে এমন ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতাকর্মীরা।
হাসনাত আব্দুল্লাহ নামে আন্দোলনকারীদের অন্যতম সমন্বয়ক বলেন, আমরা আপিল বিভাগের এমন আদেশে আশাহত হয়েছি। আমরা একটি স্থায়ী সমাধান চেয়েছিলাম। কিন্তু মনে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমাতেই সরকার এমন ‘মূলা ঝুলিয়েছে’। আমাদের অবস্থান পরিষ্কার, আমরা স্থায়ী সমাধান চাই। আমরা চাই কোটা নিয়ে পৃথক একটি স্বাধীন কমিশন গঠনের মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে এই সমস্যাটির সমাধান করা হোক। তিনি বলেন, আপিল বিভাগের সিদ্ধান্তকে আমরা স্বাগত জানাই। বিচার বিভাগের প্রতি আমাদের শতভাগ শ্রদ্ধা আছে। কিন্তু আমরা সাময়িক কিছুতে আর বিশ্বাস করছি না। আমাদের ঘরে ফেরাতে হলে কোটা বৈষম্য দূর করতেই হবে। রবিউল ইসলাম নামক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, টানা আন্দোলনে আমাদের কর্মীরা অসুস্থ হচ্ছে, তারপরও তারা রাজপথেই চলে আসছে। আমরা কোনোভাবেই হার মানতে রাজি নই। সরকারকে অবশ্যই এর স্থায়ী সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। পাকিস্তান থেকে বৈষম্যের প্রতিবাদে যুদ্ধ করে স্বাধীন হওয়া জাতি কোনো ধরনের কোটা বৈষম্য মেনে নেবে না।
নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

* যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ * ঢাকার সাথে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিলো * শিক্ষার্থীদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে
সর্বাত্মক বাংলা ব্লকেডে স্থবির ঢাকা
- আপলোড সময় : ১০-০৭-২০২৪ ০৯:৫৬:০০ অপরাহ্ন
- আপডেট সময় : ১১-০৭-২০২৪ ১২:০১:২৮ পূর্বাহ্ন


কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ